উপকূলের মৃত্তিকাকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্কমৃত্তিকা বলে কেন

উপকূলের মৃত্তিকাকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্কমৃত্তিকা বলে কেন
উপকূলের মৃত্তিকাকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্কমৃত্তিকা বলে কেন?
যে মাটিতে জল থাকা সত্ত্বেও লবণের আধিক্যের জন্য তা উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না সেই মাটিকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্কমাটি বলে। উপকূল অঞ্চলের মাটিও একপ্রকার শারীরবৃত্তীয় শুষ্কমাটি কারণ–

  1. উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত মাটিতে যথেষ্ট পরিমাণে জল থাকা সত্ত্বেও লবণের আধিক্যের জন্য সাধারণত উদ্ভিদ ওই জল সহজে গ্রহণ করতে পারে না। তাই এই মৃত্তিকাকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা বলে।
  • উপকূলীয় মৃত্তিকায় লবণের ভাগ বেশি থাকায় মৃত্তিকা দ্রবণের ঘনত্ব উদ্ভিদের কোশরসের ঘনত্ব অপেক্ষা বেশি হয়। এ কারণে অভিস্রবণের নীতি অনুযায়ী উদ্ভিদের মূল এই মৃত্তিকা থেকে জল শোষণ করতে পারে না। ফলে উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাজমের সংকোচন ঘটে, অনেক ক্ষেত্রে উদ্ভিদ মারাও যায়।
আরও পড়ুন প্রয়োজনে
বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হওয়ার পদ্ধতি গুলি আলোচনা করো Click here
পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য ও মালভূমি অঞ্চলের মৃত্তিকা সম্পর্কে বর্ণনা করো Click here
ভারতে নগর বা শহর গড়ে ওঠার প্রধান কারণগুলি লেখো Click here
জনজীবনে পর্বতের প্রভাব কী Click here

Leave a Comment