মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো

মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো – আজকের পর্বে মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

    মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো

    মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো
    মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো।

    মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে যা জানো লেখো

    ভূমিকা

    মুসোলিনির পররাষ্ট্র নীতির মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বে ইটালির মর্যাদা বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করা এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুনরুদ্ধার করা। তাই সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধনীতি ছিল তার পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা।

    মুসোলিনির পররাষ্ট্র নীতি

    ① ফ্রান্সের বিরোধিতা

    মুসোলিনির পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম মূল লক্ষ্য ছিল সর্বতোভাবে ফ্রান্সের বিরোধিতা করা। কারণ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের বিরোধিতার জন্যই ইটালি তার কাঙ্ক্ষিত বহু জায়গা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। তা ছাড়া ইটালির আধিপত্য বিস্তারে ফ্রান্সই ছিল প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

    ② আবিসিনিয়া আক্রমণ

    জনসংখ্যার চাপ এবং শিল্পের প্রয়োজনে আবিসিনিয়ার ওপর বহুদিন থেকে ইটালির লক্ষ ছিল। সামান্য যুদ্ধের অজুহাতে তাই মুসোলিনি আবিসিনিয়া দখল করে নেন। এই ঘটনায় জাতিসংঘ কোনো কার্যকারী পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

    ③ স্পেনে মুসোলিনির হস্তক্ষেপ

    স্পেনে সাম্যবাদ প্রসারিত হলে জেনারেল ফ্রাঙ্কো ও রাজতন্ত্রীদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এই সুযোগে মুসোলিনি প্রচুর সৈন্য ও অর্থ দিয়ে ফ্রাঙ্কোকে সাহায্য করেন।

    উপসংহার

    মুসোলিনির বৈদেশিক নীতির মধ্যে সাম্রাজ্যবাদের যে রূপ ফুটে উঠেছিল তা বিশ্ব পরিস্থিতিকে – উত্তপ্ত করে তুলেছিল। আর এর থেকেই জন্ম নিয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

    Leave a Comment